শিরোনাম
লক্ষ্মীপুরে বাস থেকে নামিয়ে ভিপি হেলালকে মারধর ও মব সৃষ্টির চেষ্টা, আটক ১ লক্ষ্মীপুর সদরে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ের তথ্যসংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ উদ্বোধন তিন ঘণ্টা কোথায় ছিলেন তাজমিন? খেলাধুলায় ফিরলে কিশোর-তরুণরা মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে থাকবে- পুলিশ সুপার দুর্গাপূজা ঘিরে লক্ষ্মীপুরে কঠোর নিরাপত্তা: ৭৮ মণ্ডপে পুলিশের বিশেষ নজরদারি জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন সংশোধনে দেশসেরা লক্ষ্মীপুর সদর ইউএনও ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা জন্মনিবন্ধন সংশোধন আবেদন নিষ্পত্তিতে দেশসেরা লক্ষ্মীপুর সদর ইউএনও, পাচ্ছেন জাতীয় পুরস্কার আইনজীবীদের নিয়ে মন্তব্যের জেরে দুঃখ প্রকাশ করলেন এমপি শাহাদাত হোসেন সেলিম অপকর্মের দায়েই আওয়ামী লীগের পতন, পুনর্বাসনের সুযোগ নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী সাংবাদিকের রক্ত ঝরলে রাষ্ট্রের বিবেকও রক্তাক্ত হয়
রবিবার ২৫ অক্টোবর ২০২৬
রবিবার ২৫ অক্টোবর ২০২৬

লক্ষ্মীপুরে সড়ক নির্মাণে বারবার বরাদ্দ, বারবার ভোগান্তি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | অনলাইন সংস্করণ

Image

মো: কামাল উদ্দিন হাওলাদার : 
একটি রাস্তা কেবল ইট, বালু, পাথর ও বিটুমিনের সমষ্টি নয়। একটি ভালো সড়ক একটি অঞ্চলের অর্থনীতি, শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। একটি সড়ক ভালো থাকলে মানুষ দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে, কৃষকের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করা সহজ হয়, রোগী দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের গতি বাড়ে। বিপরীতে একটি দুর্বল ও বিধ্বস্ত সড়ক মানুষের সময়, অর্থ ও জীবনের ঝুঁকি বাড়ায়।

লক্ষ্মীপুর- বেগমগঞ্জ সড়কটি এ অঞ্চলের মানুষের কাছে এমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এই সড়কের নির্মাণ, সংস্কার, স্থায়িত্ব ও সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহারের প্রশ্নটি জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করে আসছে।

নব্বইয়ের দশকের শুরুতে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের সময়ে কোরিয়ান কোম্পানির মাধ্যমে লক্ষ্মীপুর-বেগমগঞ্জ সড়কের উন্নয়ন করা হয়েছিল বলে স্থানীয়দের স্মৃতিতে রয়েছে। তখন পুরোনো সড়ক না খুঁড়ে বিদ্যমান সড়কের ওপর পাথর ও বিটুমিনের স্তর দিয়ে কার্পেটিং/সিলকোট করা হয়েছিল। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সেই সড়ক ১৫ বছরেরও বেশি সময় টিকে ছিল এবং দীর্ঘ সময় মানুষ এই সড়ক দিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াত করেছে।

অন্যদিকে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে লক্ষ্মীপুর-বেগমগঞ্জ সড়কের পুন:নির্মাণের সময় যে দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছিল, তা এ অঞ্চলের মানুষের কাছে এখনও দুঃসহ স্মৃতি। দীর্ঘ সময় ধরে সড়ক নির্মাণের কারণে ধুলাবালি, কাদা, যানজট ও চলাচলের ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। অথচ সেই কষ্টের বিনিময়ে নির্মিত সড়ক যদি প্রত্যাশিত স্থায়িত্ব না পায়, তাহলে প্রশ্ন উঠবেই- উন্নয়নের নামে আমরা আসলে কী পেলাম?

অভিযোগ হচ্ছে, নির্মাণ শেষ হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে সংস্কার বা রিপেয়ারিংয়ের প্রয়োজন দেখা দেয়। কোথাও কোথাও খানা খন্দ ও গর্তের সৃষ্টি হয়ে সড়কটি বিধ্বস্ত হযেছিল। সে সড়কের বিভিন্ন স্থানে নিম্নমানের ইট দিয়ে সোলিং করার ফলে নিম্নমানের ইট যানবাহনের চাকায় পিষ্ট হয়ে ধুলায় পরিণত হয়ে সড়ক ব্যবহারকারীদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

এখানে একটি মৌলিক প্রশ্ন সামনে আসে- একটি সড়ক নির্মাণে যদি বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ ব্যয় হয়, তাহলে নির্মাণের অল্প সময়ের মধ্যেই কেন সড়কে পুনরায় সংস্কারের প্রয়োজন হবে?

তাহলে লক্ষ্মীপুর-বেগমগঞ্জ সড়কের ক্ষেত্রে প্রশ্ন হচ্ছে- সড়কটি যদি দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে, তার কারণ কী ছিল? নকশায় কোনো ত্রুটি ছিল কি? নির্মাণসামগ্রীর মান ঠিক ছিল কি? পুরুত্ব ও স্তর যথাযথ ছিল কি? ল্যাবরেটরি পরীক্ষার ফল কী ছিল? কাজের সময় যথাযথ মান নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল কি? অতিরিক্ত ভারী যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল কি? এসব প্রশ্নের উত্তর জনগণের জানার অধিকার রয়েছে।

কারণ সরকারি অর্থ জনগণের অর্থ। সেই অর্থে নির্মিত কোনো সড়ক প্রত্যাশিত মানে না হলে তার দায় শুধু একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নয়; নকশা, দরপত্র, তদারকি, পরিমাপ, বিল প্রদান এবং মান নিয়ন্ত্রণ- পুরো প্রক্রিয়াটিই পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হলো, পুরোনো সড়ক নিয়ে নানা অভিযোগ ও অভিজ্ঞতার পরও এখন আবার এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি চার লেনে উন্নীত করার কাজ চলছে। 

চার লেন হবে- এটি নিঃসন্দেহে বড় উন্নয়ন। কিন্তু চার লেনের সড়ক যদি নির্মাণের কয়েক বছরের মধ্যেই আবার ভাঙতে শুরু করে, তাহলে সেই উন্নয়ন কতটা টেকসই হবে?

স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্তমান কাজের ক্ষেত্রে নোয়াখালী অংশের তুলনায় লক্ষ্মীপুর অংশের নির্মাণমান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগটি সত্য কি না, তা নির্ধারণ করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। তবে অভিযোগ উঠলেই তা উপেক্ষা না করে স্বাধীনভাবে মান পরীক্ষা করা জরুরি।

এ ক্ষেত্রে নির্মাণাধীন সড়কের বিভিন্ন স্তর থেকে নমুনা সংগ্রহ, ল্যাবরেটরি পরীক্ষা, উপকরণের মান যাচাই, পুরুত্ব পরিমাপ এবং কাজের স্পেসিফিকেশনের সঙ্গে বাস্তব কাজের মিল পরীক্ষা করা যেতে পারে। 

২০১৮-২০১৯ সালের উন্নয়নকাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে যদি নিম্নমানের কাজ বা সরকারি অর্থের অপচয়ের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থেকে থাকে, তাহলে সেগুলো যাচাই করা প্রয়োজন। অভিযোগ সত্য হলে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত; আর অভিযোগ সত্য না হলে সংশ্লিষ্টরাও দায়মুক্তির সুযোগ পাবেন।

কিন্তু অভিযোগ উঠবে, কাজ শেষ হবে, জনগণ দুর্ভোগ পোহাবে, কয়েক বছর পর আবার একই সড়কের জন্য নতুন বরাদ্দ আসবে- এভাবে চলতে পারে না।

উন্নয়ন মানে শুধু প্রকল্প গ্রহণ, বরাদ্দ ও ব্যয় নয়। উন্নয়নের প্রকৃত সাফল্য হলো- নির্ধারিত অর্থে নির্ধারিত মানের কাজ, নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন করা এবং সেই কাজের সুফল জনগণকে দীর্ঘদিন ভোগ করতে দেওয়া।

লক্ষ্মীপুর সড়ক বিভাগ নিয়ে স্থানীয়ভাবে দীর্ঘদিন ধরেই নানা অভিযোগ ও অসন্তোষের কথা শোনা যায়। অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রভাব, ঠিকাদারি ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ, দাপ্তরিক সিদ্ধান্তে বাইরের প্রভাব এবং কর্মকর্তা-ঠিকাদার সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন- এসব অভিযোগের কোনোটিই প্রমাণ ছাড়া সত্য বলে ধরে নেওয়া যায় না। তবে অভিযোগগুলো যদি বারবার জনসমক্ষে আসে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত সেগুলো তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার করা।

বিশেষ করে কোনো সরকারি কর্মকর্তা সরাসরি বা পরোক্ষভাবে ঠিকাদারি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত কি না- এ বিষয়ে স্বচ্ছতা অত্যন্ত জরুরি। কারণ তদারককারী প্রতিষ্ঠান ও কাজ বাস্তবায়নকারী পক্ষের মধ্যে স্বার্থের সংঘাতের সুযোগ থাকলে সরকারি প্রকল্পের মান ও জবাবদিহি প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।

লক্ষ্মীপুর সড়ক বিভাগটি ১৯৯৩ সালে পৃথক বিভাগ হিসেবে সৃষ্টি হয়। এর আগে এটি নোয়াখালী সড়ক বিভাগের অধীন একটি উপবিভাগ ছিল।

এখন প্রশ্ন হলো- একটি পৃথক সড়ক বিভাগ হিসেবে এত বছর পরও কেন জেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর মান নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠবে?

লক্ষ্মীপুরের মানুষ যখন চন্দ্রগঞ্জের পূর্বদিকে নোয়াখালী সড়ক বিভাগের আওতাধীন এলাকায় যায়, কিংবা রায়পুর পেরিয়ে চাঁদপুরের দিকে যায়, তখন সড়কের মানের পার্থক্য চোখে পড়ে- এমন অভিযোগ স্থানীয়দের। বিষয়টি কেবল অনুভূতির জায়গায় না রেখে কর্তৃপক্ষ চাইলে তুলনামূলকভাবে সড়কের মান, রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়, প্রকল্পের মেয়াদ, পুনঃসংস্কারের হার ও যানবাহনের চাপের তথ্য প্রকাশ করতে পারে। তাহলেই বাস্তব চিত্র পরিষ্কার হবে।

লক্ষ্মীপুরের মানুষ উন্নয়নবিরোধী নয়। বরং তারা আরও উন্নত সড়ক চায়। তারা চায় চার লেন হোক, আধুনিক সড়ক হোক, নিরাপদ সড়ক হোক। কিন্তু তারা এমন উন্নয়ন চায় না, যার জন্য বারবার রাস্তা খুঁড়তে হবে, জনগণকে দুর্ভোগ পোহাতে হবে এবং কয়েক বছর পর আবার নতুন প্রকল্প নিতে হবে।

একটি সড়ক নির্মাণের পর তার স্থায়িত্ব কতদিন হবে- এটি শুধু প্রকৌশলীদের বিষয় নয়; এটি জনগণের অর্থের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়। তাই প্রতিটি বড় সড়ক প্রকল্পে কাজের মান, ব্যয়, ঠিকাদার, পরামর্শক, তদারকি প্রতিষ্ঠান, পরীক্ষার ফলাফল এবং রক্ষণাবেক্ষণ পরিকল্পনা জনসম্মুখে প্রকাশ করা উচিত।

আমরা মনে করি, লক্ষ্মীপুর- বেগমগঞ্জ সড়কের বর্তমান চার লেন প্রকল্পে এবার কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া উচিত নয়। কাজের প্রতিটি ধাপে মান নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। প্রয়োজনে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে নমুনা পরীক্ষা করতে হবে। নির্মাণসামগ্রীর মান ও পুরুত্ব পরীক্ষা করতে হবে। প্রকল্পের নকশা ও স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী কাজ হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত পরিদর্শন করতে হবে।

একই সঙ্গে অতীতের সড়ক নির্মাণকাজ নিয়ে ওঠা অভিযোগগুলোও যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করা দরকার। কোনো অনিয়ম প্রমাণিত হলে দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

কারণ রাস্তা নির্মাণে জনগণের টাকা ব্যয় হয়, কিন্তু রাস্তার ওপর চলাচল করে জনগণই। তাই রাস্তার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠলে জনগণের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার দায়িত্বও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।

লেখক,
মো: কামাল উদ্দিন হাওলাদার
সাবেক সভাপতি
লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাব।


আরও খবর




লক্ষ্মীপুরে ডিবির অভিযানে ২৭ পিস ইয়াবাসহ একজন আটক

ব্যক্তিস্বার্থে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার নয়, জনগণের জন্য কাজ করতে হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি

লক্ষ্মীপুরে বাস থেকে নামিয়ে ভিপি হেলালকে মারধর ও মব সৃষ্টির চেষ্টা, আটক ১

শিক্ষক বা অন্য পেশার কারও সাংবাদিকতা করার সুযোগ নেই: প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক এমপি নয়ন ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের দুই মামলা

ডব্লিউএইচও’র পদ পেতে জালিয়াতি : পুতুলের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

দুর্গাপূজায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে: চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি

লক্ষ্মীপুরে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে ইজিবাইক চুরি, আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে পূজামণ্ডপে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ডেকোরেটর কর্মীর মৃত্যু

বাংলাদেশে দরকার মিল্টনের মতো সৎ, সাহসী ও দক্ষ প্রশাসক

রামগতি ও কমলনগরে ইটভাটার দূষণ, কৃষিজমির মাটি কাটা এবং গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ তুলে সংসদ সদস্যের চিঠি

কারেন্ট জাল ও অটোরিকশা উৎপাদন বন্ধে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ কোথায়?

লক্ষ্মীপুর শহরের যানজট নিরসনে কমিউনিটি ট্রাফিক পুলিশ নিয়োগ

লক্ষ্মীপুরে ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

চুয়েটে অচলাবস্থার দায় কার, উপাচার্য নিয়োগে এমন জেদ কেন?

জন্মনিবন্ধন সংশোধন আবেদন নিষ্পত্তিতে দেশসেরা লক্ষ্মীপুর সদর ইউএনও, পাচ্ছেন জাতীয় পুরস্কার

দুর্গাপূজায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে: চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি

হোটেলের টয়লেটে চিনি জ্বাল দিয়ে তৈরি হচ্ছিল ‘খাঁটি মধু’, গ্রেপ্তার ৪

কারেন্ট জাল ও অটোরিকশা উৎপাদন বন্ধে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ কোথায়?

লক্ষ্মীপুরে ডিবির অভিযানে ২৭ পিস ইয়াবাসহ একজন আটক

লক্ষ্মীপুরে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে ইজিবাইক চুরি, আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

পুলিশের নিরাপত্তাই যখন প্রশ্নবিদ্ধ!

লক্ষ্মীপুর সদরে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ের তথ্যসংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ উদ্বোধন

লক্ষ্মীপুরকে বিচার বিভাগের মডেল জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে: সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ

লক্ষ্মীপুরে সড়ক নির্মাণে বারবার বরাদ্দ, বারবার ভোগান্তি

দুর্গাপূজা ঘিরে লক্ষ্মীপুরে কঠোর নিরাপত্তা: ৭৮ মণ্ডপে পুলিশের বিশেষ নজরদারি

আইনজীবীদের নিয়ে মন্তব্যের জেরে দুঃখ প্রকাশ করলেন এমপি শাহাদাত হোসেন সেলিম

লক্ষ্মীপুরে ডাকাতির প্রস্তুতি মামলার পলাতক আসামি স্বপন গ্রেপ্তার

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন সংশোধনে দেশসেরা লক্ষ্মীপুর সদর ইউএনও ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা

লক্ষ্মীপুর শহরের যানজট নিরসনে কমিউনিটি ট্রাফিক পুলিশ নিয়োগ


এই সম্পর্কিত আরও খবর

কারেন্ট জাল ও অটোরিকশা উৎপাদন বন্ধে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ কোথায়?